লিখিত প্রশ্ন ব্যাংকনিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
হোম › ২০২৬ › অধিদপ্তর › বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড-২০২৬ (হিসাবরক্ষক)

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড-২০২৬: হিসাবরক্ষক পদের প্রশ্ন ও সমাধান

সময়: ৯০ মিনিটপূর্ণমান: ৭০মোট প্রশ্ন: ১৯টি
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের হিসাবরক্ষক পদের নিয়োগ পরীক্ষার (তারিখ: ২৮.০২.২০২৬) বাংলা, ইংরেজি, গণিত, ব্যবসা ও হিসাব এবং সাধারণ জ্ঞান অংশের প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো।

বাংলা অংশ
০১

শব্দগুলির অর্থসহ বাক্য রচনা করুন

বাগধারা
অর্থ
বাক্য
বর্ণচোরা
কপটচারী
লোকটা বাইরে খুব ভালোমানুষ সেজে থাকে, আসলে সে বর্ণচোরা, চেনা কঠিন।
কানকাটা
নির্লজ্জ; বেহায়া
এত কথা শোনার পরও কানকাটা ছেলেটা আবার ওদের বাড়িতে গিয়ে হাজির।
০২

সন্ধি বিচ্ছেদ করুন

শব্দ
সন্ধি বিচ্ছেদ
বনৌষধি
বন + ওষধি
বাগদান
বাক্ + দান
০৩

উত্তর লিখুন

ক
‘বাল্মীকি প্রতিভা’ নাটকের রচয়িতা কে?
→ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
খ
‘বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন’ এর রচয়িতা কে?
→ মুহম্মদ আবদুল হাই।
গ
ক্রিয়াপদের মূল অংশকে কী বলে?
→ ধাতু।
ঘ
‘দুর্জন লোক সর্বদা পরিত্যাজ্য’ এটি কোন ধরনের বাক্য?
→ সরল বাক্য।
ঙ
‘ধূমকেতু’ পত্রিকা কত সালে প্রকাশিত হয়? এর সম্পাদক কে ছিলেন?
→ ১৯২২ সালের ১১ আগস্ট। সম্পাদক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম।
০৪

খাল খনন কর্মসূচি সম্পর্কে ১০টি বাক্য লিখুন।

খাল খনন কর্মসূচি সম্পর্কে ১০টি বাক্য লিখুন।

খাল খনন কর্মসূচি

১. খাল খনন কর্মসূচি দেশের জলাবদ্ধতা কমানো আর সেচব্যবস্থা ভালো করার একটি বড় উদ্যোগ।

২. বছরের পর বছর ভরাট হয়ে যাওয়া খাল আবার খুঁড়ে পানির স্বাভাবিক চলাচল ফিরিয়ে আনা হয়।

৩. বর্ষায় বাড়তি পানি দ্রুত নেমে যেতে খালগুলো খুব কাজে লাগে।

৪. শুকনো মৌসুমে এই খালের পানি দিয়েই কৃষক জমিতে সেচ দিতে পারেন।

৫. জলাবদ্ধতা কমলে ফসলের ক্ষতি কমে, ফলনও বাড়ে।

৬. খালে মাছ চাষ করে গ্রামের মানুষ বাড়তি আয়ের সুযোগ পায়।

৭. খাল খুঁড়ে রাখলে বৃষ্টির পানি মাটির নিচে ঢোকে, ফলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নামে না।

৮. কাজটি চলার সময় স্থানীয় বহু মানুষ অস্থায়ী কাজ পায়।

৯. নদী ও খালের সংযোগ ফিরিয়ে আনতে পারলে পানি ব্যবস্থাপনা আরও সহজ হয়।

১০. সব মিলিয়ে খাল খনন কর্মসূচি টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা ও গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য খুবই দরকারি।

ইংরেজি অংশ
০৫

Translate into English

বাংলা
English
এই কলমটি ভাল লিখে।
This pen writes well.
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ঢাকার গ্রীনরোডে অবস্থিত।
Bangladesh Water Development Board is located on Greenroad in Dhaka.
০৬

Write 10 (ten) sentences about Bangladesh Water Development Board.

Write 10 (ten) sentences about Bangladesh Water Development Board.

Bangladesh Water Development Board

1. Bangladesh Water Development Board, or BWDB, is the main government body that looks after the water resources of our country.

2. It was set up in 1959 to control floods and manage rivers.

3. It works under the Ministry of Water Resources.

4. The board builds and repairs embankments, dams and sluice gates to keep floodwater out of farmland.

5. It also protects land from river erosion and waterlogging.

6. Many irrigation projects of BWDB help farmers grow more crops.

7. The board dredges rivers so that boats can move easily and the riverbed does not fill up with silt.

8. During the monsoon, it keeps a watch on water levels and gives flood warnings.

9. BWDB also works with foreign partners on climate and water management projects.

10. In short, BWDB plays a big part in saving people and crops from floods and droughts.

০৭

Write the meaning in English

ক
Liberty (স্বাধীনতা)
→ Liberty means the freedom to act and live as one wishes.
খ
Traffic (চলাচল)
→ Traffic means the movement of vehicles, people or goods from one place to another, especially on roads.
০৮

Fill in the gaps

Sentence
Ans.
বাক্যের অর্থ
I gave him a dollar ____ payment.
as
আমি তাকে পরিশোধ হিসেবে এক ডলার দিয়েছিলাম।
He won a victory ____ his rivals.
over
সে তার প্রতিপক্ষের উপর জয়লাভ করেছে।
০৯

Transform the following sentences

Given
Transformed
বাক্যের অর্থ
Pluck me a flower. (Change the voice)
Let a flower be plucked for me.
আমার জন্য একটি ফুল ছিঁড়ে আনো।
He said, ‘Please help the poor.’ (Change the narration)
He requested to help the poor. (বইয়ে এভাবেই আছে; পূর্ণ রূপ: He requested them to help the poor.)
তিনি বললেন, দয়া করে গরিবদের সাহায্য করো।
সাধারণ জ্ঞান অংশ
১০

নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন

ক
বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নরের নাম কী?
→ মোঃ মোস্তাকুর রহমান।
খ
বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদের কতভাগ সদস্য টেকনোক্র্যাট হতে পারেন?
→ এক দশমাংশ।
গ
অনলাইনে মূল্য পরিশোধ করাকে কী বলে?
→ ই-পেমেন্ট।
ঘ
সুয়েজ খাল কোন দুটি সাগরকে সংযুক্ত করেছে?
→ ভূমধ্যসাগর এবং লোহিত সাগরকে।
ঙ
WWW এর পূর্ণরূপ কী?
→ World Wide Web.
চ
পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
→ রামনাবাদ নদী।
ছ
আয়তনে পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট দেশ কোনটি?
→ ভ্যাটিকান সিটি।
জ
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য কত?
→ ২০০ নটিক্যাল মাইল।
ঝ
Blue Economy কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
→ সমুদ্র অর্থনীতি।
ঞ
সবচেয়ে কম বয়সে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন কে?
→ মালালা ইউসুফজাই।
ব্যবসা ও হিসাব অংশ
১১

টীকা লিখুন

ক
সমন্বয় দাখিলা
→ হিসাবকাল শেষে আর্থিক বিবরণী তৈরির আগে বকেয়া, অগ্রিম, অবচয় বা অলিক লেনদেনগুলো (যেমন: প্রাপ্য আয়, বকেয়া ব্যয়) সঠিক হিসাবকালে লিখে নেওয়ার প্রক্রিয়াই সমন্বয় দাখিলা। এটি মিলকরণ নীতি ও বকেয়াভিত্তিক হিসাববিজ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে নিট লাভ বা ক্ষতি এবং সঠিক আর্থিক অবস্থা নির্ণয় করতে সাহায্য করে।
খ
মধ্যম আয়ের দেশের সুবিধা/অসুবিধা
→ মধ্যম আয়ের দেশ (MICs) হলো এমন দেশ, যাদের মাথাপিছু আয় বিশ্বব্যাংকের নির্ধারিত নিম্ন আয়ের সীমা (১,১৩৫ ডলারের বেশি) ছাড়িয়ে উচ্চ আয়ের সীমার নিচে অবস্থান করে।
সুবিধা: (১) বিনিয়োগ বৃদ্ধি: উচ্চ প্রবৃদ্ধির কারণে বিদেশি বিনিয়োগ ও দেশীয় শিল্পে পুঁজির প্রবাহ বাড়ে। (২) জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন: মাথাপিছু আয় বাড়ায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো ভালো হয়। (৩) আন্তর্জাতিক বাজারে প্রভাব: বিশ্ব অর্থনীতিতে দর-কষাকষির সক্ষমতা বাড়ে এবং উন্নত প্রযুক্তি গ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়। (৪) দারিদ্র্য হ্রাস: কর্মসংস্থান তৈরির মাধ্যমে দারিদ্র্যের হার দ্রুত কমে।
অসুবিধা: (১) মধ্যম আয়ের ফাঁদ: দেশ এমন পর্যায়ে আটকে যেতে পারে, যেখানে সস্তা শ্রমের সুবিধা শেষ হয় কিন্তু উচ্চ প্রযুক্তির সক্ষমতা তৈরি হয় না। (২) সুবিধাজনক ঋণ হ্রাস: স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে পাওয়া সহজ শর্ত বা সুদবিহীন ঋণ পাওয়ার সুযোগ কমে যায়। (৩) বৈষম্য বৃদ্ধি: সামগ্রিক আয় বাড়লেও সম্পদের অসম বণ্টনে আয়বৈষম্য বাড়ে। (৪) উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি: শ্রমিকের মজুরি বাড়ায় উৎপাদন খরচ বাড়ে এবং রপ্তানি বাজারে প্রতিযোগিতা কঠিন হয়।
বাংলাদেশ এখন নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পথে; মূল চ্যালেঞ্জ হলো দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানো।
গ
বিল ও ভাউচার
→ বিল ও ভাউচার হিসাবরক্ষণের প্রধান দলিল। ‘বিল’ (Bill) হলো পণ্য বা সেবার বিপরীতে পাওনা টাকার দাবিপত্র, যা পরিশোধের জন্য বিক্রেতা ক্রেতাকে দেয়। ‘ভাউচার’ (Voucher) হলো সেই বিল পরিশোধের পর লেনদেনের সত্যতার প্রমাণ হিসেবে সংরক্ষিত দালিলিক প্রমাণ।
ঘ
ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল
→ ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (FRC) বাংলাদেশে ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং আইন ২০১৫ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বায়ত্তশাসিত নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এটি মূলত জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর (PIE) আর্থিক প্রতিবেদন ও নিরীক্ষা কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করে, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে এবং আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী হিসাব ও নিরীক্ষা পেশা নিয়ন্ত্রণ করে। এর ফলে আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা আসে ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ে।
ঙ
সুনাম (বইয়ে ছাপা আছে ‘বিড়াল সুনাম’)
→ বইয়ের লেখা: এটি এক ধরনের ব্যবসায়িক সুনাম, যেখানে ক্রেতারা ব্যবসায়ের প্রতি অনুগত থাকে। (লক্ষ্য করুন, বইয়ের শিরোনামটি সম্ভবত ছাপার ভুল; হিসাববিজ্ঞানে এর কাছাকাছি ধারণা হলো সুনাম বা Goodwill।)
১২

পূর্ণরূপ লিখুন

সংক্ষিপ্ত রূপ
পূর্ণরূপ
ibas++
Integrated Budget and Accounting System
GAAP
Generally Accepted Accounting Principles
TRIPS
Trade-Related Aspects of Intellectual Property Rights
ECNEC
The Executive Committee of the National Economic Council
ERP
Enterprise Resource Planning
১৩

পে-ব্যাক পিরিয়ড নির্ণয় (Pay-Back Period)

১৩
A ও B দুটি প্রকল্পের প্রাথমিক বিনিয়োগ ৫৬,১২৫ টাকা। নগদ প্রবাহ: প্রকল্প A — ১৬,০০০ / ১৮,০০০ / ১৪,০০০ / ২০,০০০; প্রকল্প B — ২২,০০০ / ২০,০০০ / ১৮,০০০ / ২০,০০০ (১ম থেকে ৪র্থ বছর)। পে-ব্যাক পিরিয়ড নির্ণয় করুন এবং কোন প্রকল্প গ্রহণ করবেন তা মন্তব্য করুন।
সূত্র: পে-ব্যাক = বিনিয়োগ ফেরত আসার আগের বছর সংখ্যা + প্রাথমিক বিনিয়োগ − আগের বছর পর্যন্ত জমা নগদ প্রবাহবিনিয়োগ ফেরত আসা বছরের নগদ প্রবাহ
প্রকল্প A এর জমা নগদ প্রবাহ: ১ম বছর ১৬,০০০; ২য় বছর ৩৪,০০০; ৩য় বছর ৪৮,০০০; ৪র্থ বছর ৬৮,০০০
৩ বছরে ৪৮,০০০ ফেরত এসেছে; বাকি = ৫৬,১২৫ − ৪৮,০০০ = ৮,১২৫ টাকা, যা ৪র্থ বছরের ২০,০০০ থেকে আসবে
প্রকল্প A এর পে-ব্যাক = ৩ + ৮,১২৫২০,০০০ = ৩.৪০৬২৫ বছর
প্রকল্প B এর জমা নগদ প্রবাহ: ১ম বছর ২২,০০০; ২য় বছর ৪২,০০০; ৩য় বছর ৬০,০০০; ৪র্থ বছর ৮০,০০০
২ বছরে ৪২,০০০ ফেরত এসেছে; বাকি = ৫৬,১২৫ − ৪২,০০০ = ১৪,১২৫ টাকা, যা ৩য় বছরের ১৮,০০০ থেকে আসবে
প্রকল্প B এর পে-ব্যাক = ২ + ১৪,১২৫১৮,০০০ ≈ ২.৭৮৫ বছর
বইয়ে B এর উত্তর ৩.৭০৬২৫ লেখা আছে; সেখানে হর ধরা হয়েছে ২০,০০০ (৪র্থ বছরের প্রবাহ), যা ভুল। ৩য় বছরের প্রবাহ ১৮,০০০ ধরলে সঠিক মান ২.৭৮৫ আসে
মন্তব্য: B এর পে-ব্যাক সময় কম (২.৭৮৫ < ৩.৪০৬), তাই প্রকল্প B গ্রহণ করব। বইয়েও সিদ্ধান্ত একই
উত্তর: A = ৩.৪০৬ বছর, B ≈ ২.৭৮৫ বছর; প্রকল্প B গ্রহণযোগ্য
১৪

নিচের প্রশ্নগুলোর সংক্ষেপে উত্তর দিন

ক
২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় কত ছিল?
→ ২,৭৬৯ মার্কিন ডলার। উল্লেখ্য, অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
খ
কু-ঋণ সঞ্চিতির সমন্বয় দাখিলা কী?
→ অনাদায়ী পাওনা হিসাব — ডেবিট।
কু-ঋণ সঞ্চিতি হিসাব (নতুন) — ক্রেডিট।
গ
বিক্রয় জাবেদার অপর নাম কী?
→ বিক্রয় বই।
ঘ
জনি লিমিটেডের খতিয়ান হিসেবের একটি জের ৭৫০ টাকা ভুল পক্ষে বসানো হয়েছে। অন্য সব ঠিক থাকলে রেওয়ামিলের দুই পাশে পার্থক্য কত হবে?
→ ১,৫০০ টাকা (৭৫০ × ২)।
ঙ
Revenue Recognition Principle বা রাজস্ব স্বীকৃতি নীতি কী?
→ যখন কোনো পণ্য সরবরাহ বা সেবা প্রদান সম্পন্ন হয় এবং আয় অর্জিত হয়, তখনই আয় হিসাবের খাতায় লেখা উচিত; টাকা হাতে আসুক বা না আসুক। এটিই রাজস্ব স্বীকৃতি নীতি। (বইয়ে এখানে সরকারের রাজস্ব নীতির বর্ণনা দেওয়া আছে, যা প্রশ্নের বিষয়ের সঙ্গে মেলে না; তাই হিসাববিজ্ঞানের মূল সংজ্ঞাটি লেখা হলো।)
গণিত অংশ
১৫–১৬

গণিত সমাধান

১৫
১ম ঝুড়িতে ১৫৬টি আম, ২য় ঝুড়িতে ২২১টি কলা ও ৩য় ঝুড়িতে ৩৯০টি লিচু সর্বাধিক কতজন বালকের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দিলে ঝুড়িতে কোনো ফল অবশিষ্ট থাকবে না?
প্রতিটি ঝুড়ির ফল সমানভাবে ভাগ হবে, তাই বালকের সংখ্যা ১৫৬, ২২১ ও ৩৯০ তিনটিরই গ.সা.গু. হবে
১৫৬ = ২ × ২ × ৩ × ১৩ = ২² × ৩ × ১৩
২২১ = ১৩ × ১৭
৩৯০ = ২ × ৩ × ৫ × ১৩
তিনটিতে সাধারণ গুণনীয়ক আছে কেবল ১৩
∴ গ.সা.গু. = ১৩
উত্তর: ১৩ জন বালক
১৬
একটি দ্রব্য ৪৫০ টাকায় বিক্রয় করলে যা ক্ষতি হয়, ৯০০ টাকায় বিক্রয় করলে তার দ্বিগুণ লাভ হয়। ২৫% লাভ করতে হলে দ্রব্যটি কত টাকায় বিক্রয় করতে হবে?
ধরি, দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = x টাকা
৪৫০ টাকায় বিক্রয়ে ক্ষতি = (x − ৪৫০) টাকা
৯০০ টাকায় বিক্রয়ে লাভ = (৯০০ − x) টাকা
প্রশ্নমতে, ৯০০ − x = ২(x − ৪৫০)
⇒ ৯০০ − x = ২x − ৯০০
⇒ ৯০০ + ৯০০ = ২x + x
⇒ ১,৮০০ = ৩x
∴ x = ১,৮০০৩ = ৬০০
অর্থাৎ ক্রয়মূল্য ৬০০ টাকা
২৫% লাভ = ৬০০ × ২৫১০০ = ১৫০ টাকা
∴ বিক্রয়মূল্য = ৬০০ + ১৫০ = ৭৫০ টাকা
যাচাই: ৪৫০ এ ক্ষতি ১৫০; ৯০০ এ লাভ ৩০০, যা ক্ষতির দ্বিগুণ ✓
উত্তর: ৭৫০ টাকা
ব্যবসা ও হিসাব অংশ
১৭

নিম্নবর্ণিত লেনদেনের মাধ্যমে জাবেদা তৈরি করুন

হিসাবের নাম ও বিবরণ
ডেবিট (টাকা)
ক্রেডিট (টাকা)
(ক) ‘ক’ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সরকার হতে ৪০.০০ কোটি টাকা পাওয়া গেছে।
ব্যাংক হিসাব ........ ডেবিট
৪০.০০ কোটি
মূলধন হিসাব ........ ক্রেডিট
৪০.০০ কোটি
(খ) পত্রিকায় বিজ্ঞাপন বাবদ ৪.০০ লক্ষ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন হিসাব ........ ডেবিট
৪.০০ লক্ষ
ব্যাংক হিসাব ........ ক্রেডিট
৪.০০ লক্ষ
(গ) পাউবো কর্মচারীদের বেতন বিল হতে জিপিএফ বাবদ ৭.০০ লক্ষ টাকা কর্তন করা হয়েছে এবং ৩.০০ লক্ষ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।
বইয়ের লেখা: জিপিএফ হিসাব ........ ডেবিট
৭.০০ লক্ষ
বইয়ের লেখা: বেতন হিসাব ........ ক্রেডিট
৭.০০ লক্ষ
বইয়ের লেখা: ব্যাংক হিসাব ........ ডেবিট
৩.০০ লক্ষ
বইয়ের লেখা: জিপিএফ হিসাব ........ ক্রেডিট
৩.০০ লক্ষ
সঠিক নিয়মে: বেতন হিসাব ........ ডেবিট (বেতন বিল থেকে কর্তন)
৭.০০ লক্ষ
জিপিএফ হিসাব ........ ক্রেডিট (কর্তিত অর্থ দায় হিসেবে জমা)
৭.০০ লক্ষ
জিপিএফ হিসাব ........ ডেবিট (পরিশোধ করায় দায় কমেছে)
৩.০০ লক্ষ
ব্যাংক হিসাব ........ ক্রেডিট
৩.০০ লক্ষ
১৮–১৯

হিসাবের অঙ্ক

১৮
প্রারম্ভিক মজুদ মাল ৮,৫০০ টাকা, ক্রয় ৫২,৫০০ টাকা, বিক্রয় ৪০,০০০ টাকা এবং লাভের হার ২০% হলে সমাপনি মজুদ মাল কত হবে?
নিট ক্রয় (মোট মাল) = প্রারম্ভিক মজুদ + ক্রয় = ৮,৫০০ + ৫২,৫০০ = ৬১,০০০ টাকা
বিক্রয় = ৪০,০০০ টাকা
লাভ = ৪০,০০০ × ২০% = ৮,০০০ টাকা
বিক্রিত পণ্যের ব্যয় = বিক্রয় − লাভ = ৪০,০০০ − ৮,০০০ = ৩২,০০০ টাকা
সমাপনি মজুদ = মোট মাল − বিক্রিত পণ্যের ব্যয় = ৬১,০০০ − ৩২,০০০ = ২৯,০০০ টাকা
উত্তর: ২৯,০০০ টাকা
১৯
আগস্ট ১৩, ২০২৪ তারিখে ২/১০, নিট/৩০ শর্তে ধারে ক্রয় ৭,৫০০ টাকা। ১৬ আগস্ট ২০২৪ তারিখে ৫০০ টাকার পণ্য ফেরত দেওয়া হয়। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে পূর্ণ পরিশোধিত হিসাবে কত টাকার চেক প্রদান করতে হবে?
ক্রয় = ৭,৫০০ টাকা
ফেরত = ৫০০ টাকা
নিট ক্রয় = ৭,৫০০ − ৫০০ = ৭,০০০ টাকা
শর্ত ২/১০, নিট/৩০ মানে ১০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করলে ২% বাট্টা, না হলে ৩০ দিনের মধ্যে পুরো টাকা
১৩ আগস্ট থেকে ১০ সেপ্টেম্বর = (৩১ − ১৩) + ১০ = ২৮ দিন, যা ১০ দিনের বেশি
তাই কোনো বাট্টা পাওয়া যাবে না; ৩০ দিনের মধ্যেই পরিশোধ হচ্ছে
উত্তর: ৭,০০০ টাকার চেক